RESEARCH CONSULTATION-INTERVIEW INTERPRETER ASSISTANCE-BOOK ACQUISITION IN INDIA & ABROAD ON DEMAND
Tuesday, 7 July 2026
lkata Sanjukta Roy · dsrSponoet540u 4 fa f0m9 a 6cith : 66 3 1 t 1 l hh28 2 4gt03 J 0 y 7g u 0 181 u a · ১)আঞ্চলিক ইতিহাসের সমৃদ্ধ অধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলা। গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীর মুক্ত বেণী তীরে অবস্থিত প্রাচীন জনপদ ত্রিবেণী, সপ্তগ্রাম, বাঁশবেড়িয়া এই হুগলী জেলাতেই অবস্থিত। প্রাচীন তীর্থ হিসাবে ত্রিবেণীর খ্যাতি প্রাচীনকাল থেকেই। শুধু তাই নয়, মধ্যযুগীয় বাংলায় হিন্দু-মুসলমান সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির অন্যতম দিশারী ছিলেন ত্রিবেণীর জাফর খাঁ গাজি। ত্রিবেণী পণ্ডিত সমাজের খ্যাতি ছিল জগৎজোড়া। হুগলীর রাজনৈতিক ইতিহাসের উত্থান পতনের অন্যতম কেন্দ্র ছিল সরস্বতী তীরে অবস্থিত প্রাচীন বন্দর নগরী সপ্তগ্রাম। তবে পরবর্তীকালে সরকার ও পরগণা হিসাবেও প্রসিদ্ধি অর্জন করে সপ্তগ্রাম। এমনকি নিত্যানন্দ মহাপ্রভু ও উদ্ধারণ দত্ত ঠাকুরের দৌলতে বৈষ্ণব তীর্থের মর্যাদাও লাভ করেছিল এই সপ্তগ্রাম। বাঁশবেড়িয়া ত্রিবেণী ও সপ্তগ্রামের তুলনায় কিছুটা পরবর্তীকালের জনপদ। পাটুলির জমিদার বংশ এখানে বসতি স্থাপন করে। তাই বাঁশবেড়িয়ার প্রসিদ্ধি মূলত এই জমিদার পরিবারের আনুকূল্যেই। এই পরিবারের রাজা নৃসিংহদেব রায় ও রাণী শঙ্করী এখানে প্রতিষ্ঠা করেন বিখ্যাত হংসেশ্বরী মন্দির, যা আজও অনুসন্ধিৎসু পর্যটক, গবেষক ও পুণ্যার্থীদের কাছে অন্যতম দ্রষ্টব্য। ইতিহাস বলে, এই তিনটি জনপদই হুগলীর সংস্কৃতিকে করে তুলেছিল সুসমৃদ্ধ। প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলার সেই সুসমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে এই গ্রন্থে। . . পাপাঙ্গুলের ঘর প্রকাশিত জানা অজানার আলোকে ত্রিবেণী-সপ্তগ্রাম-বাঁশবেড়িয়া। লেখক : কৌশিক চন্দ। হার্ডকভার। ১৬৮ পৃষ্ঠা। মুদ্রিত মূল্য :-৩৫০/-টাকা। ছাড় মূল্য :- ২৮০/-টাকা। . . ২)পতিতপাবনী গঙ্গার পবিত্র স্পর্শে ধন্য এই বঙ্গভূমি। ভাগীরথীর পুণ্যপরশে সুজলা সুফলা শস্যশ্যামলা হয়ে উঠেছে এই বঙ্গভূমি। শুধু তাই-ই নয়, ভাগীরথীর পুণ্যপরশে সমৃদ্ধ হয়েছে বাংলার ধর্মীয় সংস্কৃতি। তাই ভাগীরথীর তীরে তীরে গড়ে উঠেছে অজস্র মন্দির। এই ভাগীরথীর গতিপথ অনুসরন করেই তৈরী হয়েছে বিখ্যাত বারাকপুর ট্রাঙ্ক রোড। এই রোডের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ দমদম চিড়িয়ামোড় এবং বারাকপুর চিড়িয়ামোড়। এই সীমানা অঞ্চলের মধ্যে গড়ে ওঠা অজস্র বিখ্যাত অখ্যাত তীর্থ মন্দিরগুলির যথাযথ ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই গ্রন্থে। . পাপাঙ্গুলের ঘর প্রকাশিত আঞ্চলিক ইতিহাস গ্রন্থমালা গঙ্গা তীরবর্তী মন্দির : চিড়িয়ামোড় থেকে চিড়িয়ামোড়। লেখক: কৌশিক চন্দ। হার্ড কভার। ২০৭ পৃষ্ঠা। মুদ্রিত মূল্য : ৪০০/-টাকা। ছাড় মূল্য : ৩২০/-টাকা। . . বইদুটি সংগ্রহ করার জন্য নীচের নম্বরে হোয়াটস্যাপ বা কল করুন :- 9748813977
lkata
Sanjukta Roy
·
dsrSponoet540u
4
fa
f0m9
a
6cith
:
66
3
1
t
1
l
hh28
2
4gt03
J
0
y
7g
u
0
181
u
a
·
১)আঞ্চলিক ইতিহাসের সমৃদ্ধ অধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলা। গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীর মুক্ত বেণী তীরে অবস্থিত প্রাচীন জনপদ ত্রিবেণী, সপ্তগ্রাম, বাঁশবেড়িয়া এই হুগলী জেলাতেই অবস্থিত। প্রাচীন তীর্থ হিসাবে ত্রিবেণীর খ্যাতি প্রাচীনকাল থেকেই। শুধু তাই নয়, মধ্যযুগীয় বাংলায় হিন্দু-মুসলমান সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির অন্যতম দিশারী ছিলেন ত্রিবেণীর জাফর খাঁ গাজি। ত্রিবেণী পণ্ডিত সমাজের খ্যাতি ছিল জগৎজোড়া। হুগলীর রাজনৈতিক ইতিহাসের উত্থান পতনের অন্যতম কেন্দ্র ছিল সরস্বতী তীরে অবস্থিত প্রাচীন বন্দর নগরী সপ্তগ্রাম। তবে পরবর্তীকালে সরকার ও পরগণা হিসাবেও প্রসিদ্ধি অর্জন করে সপ্তগ্রাম। এমনকি নিত্যানন্দ মহাপ্রভু ও উদ্ধারণ দত্ত ঠাকুরের দৌলতে বৈষ্ণব তীর্থের মর্যাদাও লাভ করেছিল এই সপ্তগ্রাম। বাঁশবেড়িয়া ত্রিবেণী ও সপ্তগ্রামের তুলনায় কিছুটা পরবর্তীকালের জনপদ। পাটুলির জমিদার বংশ এখানে বসতি স্থাপন করে। তাই বাঁশবেড়িয়ার প্রসিদ্ধি মূলত এই জমিদার পরিবারের আনুকূল্যেই। এই পরিবারের রাজা নৃসিংহদেব রায় ও রাণী শঙ্করী এখানে প্রতিষ্ঠা করেন বিখ্যাত হংসেশ্বরী মন্দির, যা আজও অনুসন্ধিৎসু পর্যটক, গবেষক ও পুণ্যার্থীদের কাছে অন্যতম দ্রষ্টব্য। ইতিহাস বলে, এই তিনটি জনপদই হুগলীর সংস্কৃতিকে করে তুলেছিল সুসমৃদ্ধ। প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলার সেই সুসমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে এই গ্রন্থে।
.
.
পাপাঙ্গুলের ঘর প্রকাশিত lkata
Sanjukta Roy
·
dsrSponoet540u
4
fa
f0m9
a
6cith
:
66
3
1
t
1
l
hh28
2
4gt03
J
0
y
7g
u
0
181
u
a
·
১)আঞ্চলিক ইতিহাসের সমৃদ্ধ অধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলা। গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীর মুক্ত বেণী তীরে অবস্থিত প্রাচীন জনপদ ত্রিবেণী, সপ্তগ্রাম, বাঁশবেড়িয়া এই হুগলী জেলাতেই অবস্থিত। প্রাচীন তীর্থ হিসাবে ত্রিবেণীর খ্যাতি প্রাচীনকাল থেকেই। শুধু তাই নয়, মধ্যযুগীয় বাংলায় হিন্দু-মুসলমান সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির অন্যতম দিশারী ছিলেন ত্রিবেণীর জাফর খাঁ গাজি। ত্রিবেণী পণ্ডিত সমাজের খ্যাতি ছিল জগৎজোড়া। হুগলীর রাজনৈতিক ইতিহাসের উত্থান পতনের অন্যতম কেন্দ্র ছিল সরস্বতী তীরে অবস্থিত প্রাচীন বন্দর নগরী সপ্তগ্রাম। তবে পরবর্তীকালে সরকার ও পরগণা হিসাবেও প্রসিদ্ধি অর্জন করে সপ্তগ্রাম। এমনকি নিত্যানন্দ মহাপ্রভু ও উদ্ধারণ দত্ত ঠাকুরের দৌলতে বৈষ্ণব তীর্থের মর্যাদাও লাভ করেছিল এই সপ্তগ্রাম। বাঁশবেড়িয়া ত্রিবেণী ও সপ্তগ্রামের তুলনায় কিছুটা পরবর্তীকালের জনপদ। পাটুলির জমিদার বংশ এখানে বসতি স্থাপন করে। তাই বাঁশবেড়িয়ার প্রসিদ্ধি মূলত এই জমিদার পরিবারের আনুকূল্যেই। এই পরিবারের রাজা নৃসিংহদেব রায় ও রাণী শঙ্করী এখানে প্রতিষ্ঠা করেন বিখ্যাত হংসেশ্বরী মন্দির, যা আজও অনুসন্ধিৎসু পর্যটক, গবেষক ও পুণ্যার্থীদের কাছে অন্যতম দ্রষ্টব্য। ইতিহাস বলে, এই তিনটি জনপদই হুগলীর সংস্কৃতিকে করে তুলেছিল সুসমৃদ্ধ। প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলার সেই সুসমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে এই গ্রন্থে।
.
.
পাপাঙ্গুলের ঘর প্রকাশিত জানা অজানার আলোকে ত্রিবেণী-সপ্তগ্রাম-বাঁশবেড়িয়া।
লেখক : কৌশিক চন্দ।
হার্ডকভার।
১৬৮ পৃষ্ঠা।
মুদ্রিত মূল্য :-৩৫০/-টাকা।
ছাড় মূল্য :- ২৮০/-টাকা।
.
.
২)পতিতপাবনী গঙ্গার পবিত্র স্পর্শে ধন্য এই বঙ্গভূমি। ভাগীরথীর পুণ্যপরশে সুজলা সুফলা শস্যশ্যামলা হয়ে উঠেছে এই বঙ্গভূমি। শুধু তাই-ই নয়, ভাগীরথীর পুণ্যপরশে সমৃদ্ধ হয়েছে বাংলার ধর্মীয় সংস্কৃতি। তাই ভাগীরথীর তীরে তীরে গড়ে উঠেছে অজস্র মন্দির। এই ভাগীরথীর গতিপথ অনুসরন করেই তৈরী হয়েছে বিখ্যাত বারাকপুর ট্রাঙ্ক রোড। এই রোডের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ দমদম চিড়িয়ামোড় এবং বারাকপুর চিড়িয়ামোড়। এই সীমানা অঞ্চলের মধ্যে গড়ে ওঠা অজস্র বিখ্যাত অখ্যাত তীর্থ মন্দিরগুলির যথাযথ ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই গ্রন্থে।
.
পাপাঙ্গুলের ঘর প্রকাশিত আঞ্চলিক ইতিহাস গ্রন্থমালা
গঙ্গা তীরবর্তী মন্দির : চিড়িয়ামোড় থেকে চিড়িয়ামোড়।
লেখক: কৌশিক চন্দ।
হার্ড কভার।
২০৭ পৃষ্ঠা।
মুদ্রিত মূল্য : ৪০০/-টাকা।
ছাড় মূল্য : ৩২০/-টাকা।
.
.
বইদুটি সংগ্রহ করার জন্য নীচের নম্বরে হোয়াটস্যাপ বা কল করুন :- 9748813977
.
.
২)পতিতপাবনী গঙ্গার পবিত্র স্পর্শে ধন্য এই বঙ্গভূমি। ভাগীরথীর পুণ্যপরশে সুজলা সুফলা শস্যশ্যামলা হয়ে উঠেছে এই বঙ্গভূমি। শুধু তাই-ই নয়, ভাগীরথীর পুণ্যপরশে সমৃদ্ধ হয়েছে বাংলার ধর্মীয় সংস্কৃতি। তাই ভাগীরথীর তীরে তীরে গড়ে উঠেছে অজস্র মন্দির। এই ভাগীরথীর গতিপথ অনুসরন করেই তৈরী হয়েছে বিখ্যাত বারাকপুর ট্রাঙ্ক রোড। এই রোডের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ দমদম চিড়িয়ামোড় এবং বারাকপুর চিড়িয়ামোড়। এই সীমানা অঞ্চলের মধ্যে গড়ে ওঠা অজস্র বিখ্যাত অখ্যাত তীর্থ মন্দিরগুলির যথাযথ ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই গ্রন্থে।
.
পাপাঙ্গুলের ঘর প্রকাশিত আঞ্চলিক ইতিহাস গ্রন্থমালা
গঙ্গা তীরবর্তী মন্দির : চিড়িয়ামোড় থেকে চিড়িয়ামোড়।
লেখক: কৌশিক চন্দ।
হার্ড কভার।
২০৭ পৃষ্ঠা।
মুদ্রিত মূল্য : ৪০০/-টাকা।
ছাড় মূল্য : ৩২০/-টাকা।
.
.
বইদুটি সংগ্রহ করার জন্য নীচের নম্বরে হোয়াটস্যাপ বা কল করুন :- 9748813977
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment