RESEARCH CONSULTATION-INTERVIEW INTERPRETER ASSISTANCE-BOOK ACQUISITION IN INDIA & ABROAD ON DEMAND
Monday, 5 October 2026
KALAPANIR PARAPARE 1-3 VOLS- A TRAVELOGUE OF BENGALIS VISITING ENGLAND- ১৮৭৭ থেকে ১৯১২ সালের মধ্যে রচিত ষোলটি বাংলা ভ্রমণ আলেখ্য নির্বাচন করে এই সঙ্কলন।
• ১ম খণ্ড:
উনিশ শতকের শেষ দুই দশক থেকে ভারতবর্ষ থেকে বিলাত যাওয়া কোনো ব্যতিক্রমী ঘটনা ছিল না। সে সময়ে পশ্চিমী শিক্ষায় শিক্ষিত বাঙ্গালীর কাছে 'বিদেশ ভ্রমণ' আর 'বিলাত ভ্রমণ' প্রায় সমার্থক ছিল আর কল্পনার বিলাতের রং-রূপও ছিল অসামান্য। এক কথায় বাঙ্গালীর চোখে বিলাত ছিল তাদের নবলব্ধ নৈতিক, নান্দনিক, আধুনিক চেতনার চূড়ান্ত রূপ। এই সংকলন ঔপনিবেশিক কালে বাংলা থেকে বিলাত যাবার নানাবিধ ভ্রমণ আলেখ্যর উপর আলোকপাত করেছে। বিভিন্ন রকমের উদ্দেশ্যে সাগরপাড়ি দেওয়ার কারণ যেহেতু এক ছিল না, অথবা এক হ'তে পারে না, এই অসংখ্য ভ্রমণ আলেখ্যর বৈচিত্রের একটা নির্বাচিত রূপরেখা দেবার প্রচেষ্টা করা হয়েছে এই সংকলনে। বাংলায় লেখা এই সব আখ্যান গঠনশৈলীর দিক দিয়েও নানাবিধ চিঠি, ডায়েরি, আত্মকথা, স্মৃতিকথা, কাব্য, ছোট গল্প, আর নিছক বর্ণনামূলক সাহিত্য।
• ২য় খণ্ড:
উনিশ শতকের শেষ দুই দশক থেকে বাঙ্গালীর বিলাত যাওয়া কোনো ব্যতিক্রমী ঘটনা ছিল না। সে সময়ে পশ্চিমী শিক্ষায় শিক্ষিত বাঙ্গালীর কাছে 'বিদেশ ভ্রমণ' আর 'বিলাত ভ্রমণ' প্রায় সমার্থক ছিল আর কল্পনার বিলাতের রং-রূপও ছিল অসামান্য। এক কথায় বাঙ্গালীর চোখে বিলাত ছিল তাদের নবলব্ধ নৈতিক, নান্দনিক, আধুনিক চেতনার চূড়ান্ত রূপ। এই সংকলন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশক পর্যন্ত বাংলা থেকে বিলাত যাবার নানাবিধ ভ্রমণ আলেখ্যর উপর আলোকপাত করেছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ গেছেন নিছক বেড়াতে, কেউ উচ্চশিক্ষার জন্য, কেউ ব্যবসার খাতিরে, আবার কোন কোন মহিলা তাদের স্বামী অথবা পরিবারের লোকজনের সাথে কেবলমাত্র সঙ্গী হিসাবে। বাংলায় লেখা এই সব আখ্যান গঠনশৈলী দিক দিয়েও নানাবিধ চিঠি, ডায়েরি, আত্মকথা, স্মৃতিকথা, কাব্য, ছোট গল্প, আর নিছক বর্ণনামূলক সাহিত্য। সঙ্কলনের এই দ্বিতীয় খন্ডে ১৯১৪ থেকে ১৯৬০ সালের মধ্যে রচিত ষোলটি বাংলা ভ্রমণ আলেখ্য নির্বাচিত হয়েছে।
• ৩য় খণ্ড:
'কালাপানির পরপারে: বাঙালীর চোখে বিলাত' গ্রন্থ দুটির প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ডে উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে যত বাঙালি বিলাত ভ্রমণে গিয়েছিলেন, তাদের নির্বাচিত কিছু লেখা থেকে নিয়ে মোট তেত্রিশটি আলেখ্য পেশ করা হয়েছিল। ওই সমস্ত লেখাগুলি ছিল বাংলায়। কিন্তু উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি কাল থেকে বিলাত ভ্রমণের যত বাঙালির আলেখ্য আমরা পাই তার মধ্যে অনেক লেখাই ইংরাজিতে রচিত হয়েছিল। হয়তো উনবিংশ শতাব্দীর নবজাগরণের সাথে যুক্ত এই সব মধ্যবিত্ত ও উচ্চ মধ্যবিত্ত ব্যক্তিরা ইংরাজিতে লিখতেই বেশী স্বাচ্ছন্দ বোধ করতেন। এঁদের মধ্যে ছিলেন ব্যাবসায়ী, নিছক ভ্রমণপিপাসু ব্যক্তি, রাজপরিবারের সদস্য, ধর্মীয় কারণে অথবা উচ্চশিক্ষার কারণে বিলাতে যাওয়া ব্যক্তি, এবং আরও নানান অভিপ্রায়ে যাওয়া ব্যক্তিবিশেষ। এই ঔপনিবেশিক শাসকের ভাষা ব্যবহারের অবশ্য নানা কারণ পাওয়া যায়। এখানে নির্বাচিত সতেরটি ভ্রমণকাহিনীর অংশবিশেষ (১৭৬৬ থেকে ১৯৫৫ সালের মধ্যে রচিত) মূল ইংরাজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করে এই সঙ্কলনের তৃতীয় খণ্ড সম্পাদিত হয়েছে। এদের মধ্যে ব্যতিক্রম একমাত্র প্রথম লেখাটি আঠারশো শতাব্দীতে রচিত মির্জা শেখ ইত্তেসামুদ্দিনের মূল লেখাটি ইংরাজিতে নয় ফার্সিতে রচিত।
- বীরুৎজাতীয় Birutjatio
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment